প্রতারণা চেনার উপায়
বিদেশে যাওয়ার নামে প্রতারণা সাধারণত কয়েকটি চেনা রূপে আসে। প্রতিটি চিহ্ন এখানে দেওয়া হলো — কী দেখলে থামবেন, আর তখন কী করবেন।
- 1. যে চিহ্ন দেখলে থামবেন
ব্যক্তিগত ব্যাংক/বিকাশ নম্বরে টাকা চাওয়া হয়েছে
তখন কী করবেনব্যক্তিগত বিকাশ/নগদ বা ব্যক্তিগত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাবেন না। বৈধ প্রতিষ্ঠান রসিদসহ নির্ধারিত পথে টাকা নেয়।
- 2. যে চিহ্ন দেখলে থামবেন
"ভিসা নিশ্চিত" ধরনের কথা লেখা আছে — এটি অসম্ভব
তখন কী করবেনভিসার নিশ্চয়তা কেউ দিতে পারে না। এমন কথা শুনলেই বুঝবেন ঝুঁকি আছে — টাকা দেবেন না।
- 3. যে চিহ্ন দেখলে থামবেন
নগদ টাকা চাওয়া হয়েছে
তখন কী করবেননগদে টাকা দিলে কোনো প্রমাণ থাকে না, ফেরত পাওয়াও কঠিন। রসিদ ছাড়া এক টাকাও দেবেন না।
- 4. যে চিহ্ন দেখলে থামবেন
ভিসার ধরন কাজের সাথে মিলছে না
তখন কী করবেনভিজিট বা “ফ্রি ভিসা”-য় গিয়ে কাজ করা যায় না। সঠিক ওয়ার্ক ভিসা বা পারমিট ছাড়া যাবেন না।
- 5. যে চিহ্ন দেখলে থামবেন
এজেন্সির বৈধ লাইসেন্স পাওয়া যায়নি
তখন কী করবেনএজেন্সির লাইসেন্স নম্বর চান এবং যাচাই করুন। লাইসেন্স ছাড়া কাউকে নিয়োগের টাকা দেবেন না।
- 6. যে চিহ্ন দেখলে থামবেন
ঘোষিত খরচের চেয়ে বেশি টাকা চাওয়া হয়েছে
তখন কী করবেনপ্রতিটি চাকরির জন্য আপনার সর্বোচ্চ বৈধ খরচ নির্ধারিত। এর বেশি চাইলে দেবেন না, অভিযোগ করুন।
- 7. যে চিহ্ন দেখলে থামবেন
চুক্তি আগের প্রস্তাব থেকে বদলে গেছে
তখন কী করবেনযাওয়ার আগে দেখানো বেতন ও কাজের সাথে চূড়ান্ত চুক্তি মিলিয়ে নিন। না মিললে সই করার আগে সাহায্য নিন।
- 8. যে চিহ্ন দেখলে থামবেন
কাগজটির সত্যতা যাচাই করা যায়নি
তখন কী করবেনকাগজে লোগো বা সিল থাকলেই সেটি আসল নয়। যে প্রতিষ্ঠান দিয়েছে, তাদের অফিসিয়াল ঠিকানায় সরাসরি যাচাই করুন।
এই প্রক্রিয়ার বাইরে কাউকে টাকা দেবেন না।
ভিসা, ভর্তি বা ওয়ার্ক পারমিটের সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নেয়। এই প্ল্যাটফর্ম কোনো নিশ্চয়তা দেয় না।