স্বপ্ন থেকে প্রস্তুত যাত্রা

বিদেশে কাজ বা উচ্চশিক্ষা—আপনার যাত্রা এখান থেকেই।

নিজের লক্ষ্য বেছে নিন। সুযোগ খোঁজা, যোগ্যতা বোঝা, প্রস্তুতি ও আবেদন—প্রবাসযাত্রা পুরো পথটি ধাপে ধাপে সাজিয়ে দেয়।

একটি পথ বেছে শুরু করুন—পরে চাইলে দুটো পথই আপনার অ্যাকাউন্টে রাখতে পারবেন।

  • চাকরি ও পেশার পথ
  • কোর্স ও স্কলারশিপ
  • ব্যক্তিগত প্রস্তুতি পরিকল্পনা

বাংলাদেশের হিউম্যান ট্যালেন্ট জার্নি

এক প্রোফাইল। একটি স্পষ্ট যাত্রা। প্রতিটি প্রমাণ সংযুক্ত।

প্রবাসযাত্রা বিদেশে কাজ বা উচ্চশিক্ষাকে ছড়ানো পরামর্শ থেকে একটি জবাবদিহিমূলক ব্যক্তিগত যাত্রায় বদলে দেয়—পরবর্তী কাজ, খরচ, সময়সীমা ও প্রমাণ এক জায়গায়।

আমার ট্যালেন্ট প্রোফাইল তৈরি করুন
01

নিজের মালিকানার এক প্রোফাইল

যোগ্যতা ও প্রমাণ পুনর্ব্যবহারযোগ্য, ব্যক্তিগত এবং ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ হয়—অজানা মধ্যস্থতাকারীর কাছে বারবার দিতে হয় না।

02

একটি প্রধান দিক

কাজ ও উচ্চশিক্ষা আলাদা থাকে, তাই শর্ত, খরচ, ঝুঁকি ও সুপারিশ আপনার আসল লক্ষ্যের জন্য নির্দিষ্ট হয়।

03

একটি দৃশ্যমান প্রমাণের ধারা

দাবি, পরিশোধ, নথি, সময়সীমা ও পর্যালোচনার অবস্থা প্রথম পরিকল্পনা থেকে বাস্তব ফলাফল পর্যন্ত সংযুক্ত থাকে।

এক টাকা দেওয়ার আগে চারটি উত্তর

চাপ নয়, প্রমাণ দেখে সিদ্ধান্ত নিন।

প্রতিটি নিরাপদ যাত্রা এই চারটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে শুরু হয়। একটি উত্তরও না থাকলে টাকা দেওয়ার আগে থামুন।

প্রতিশ্রুতি নয়, পথ বেছে নিন

আপনি কোন পথে যেতে চান?

কাজ ও পড়াশোনার নিয়ম, খরচ, সময় আর ঝুঁকি আলাদা। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দুটো পথই তুলনা করুন।

নিয়োগকর্তার চাহিদার ভিত্তিতে

বিদেশে কাজ

একজন বিদেশি নিয়োগকর্তার যাচাইকৃত চাহিদা, লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সির মাধ্যমে প্রক্রিয়া, এবং কাজের ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আয় শুরু হয় পৌঁছানোর পর থেকেই।

এই পথের রুট
8
দেশ
8
ডেমো চাকরি
9
কাজের পথ দেখুন
প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ভিত্তিতে

বিদেশে পড়াশোনা

স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, টিউশন ও জীবনযাত্রার খরচের প্রমাণ, এবং স্টুডেন্ট ভিসা। খরচ আগে দিতে হয়, আয় আসে পরে — কাজের অধিকার সীমিত।

এই পথের রুট
1
দেশ
1
কোর্স
10
পড়াশোনার পথ দেখুন

নিশ্চিত না হলে দুটোই পড়ুন। কেউ তাড়াহুড়ো করতে বললে সেটাই প্রথম সতর্কতা।

একবারে একটি শান্ত ধাপ

নিরাপদ যাত্রা সহজ ভাষায় বোঝানো যায়।

জটিল প্রক্রিয়াকে চারটি দৃশ্যমান ধাপে সাজানো হয়েছে। কী বদলেছে, কী যাচাই হয়েছে, আর পরের কাজ কার — সবসময় জানতে পারবেন।

  1. 01

    দাবিটি সামনে আনুন

    মেসেজ, কাগজ, লাইসেন্স নম্বর, চাকরির আইডি বা প্রতিষ্ঠানের নাম — হাতে যা আছে, তা দিয়েই শুরু করুন।

  2. 02

    প্রমাণ দেখুন

    প্রতিটি দাবি সঠিক রেকর্ডের সাথে মিলিয়ে কী পাস করেছে এবং কী এখনো যাচাই হয়নি — দুটোই দেখানো হয়।

  3. 03

    প্রতিটি টাকা জানুন

    কথা দেওয়ার আগেই পুরো খরচ দেখুন। অনিশ্চিত খরচ আলাদাই থাকে; চুপিসারে তা পরিশোধে বদলে যায় না।

  4. 04

    সহায়তা নিয়ে এগোন

    পরের কাজ শেষ করুন, পরিবারের সদস্যকে জানিয়ে রাখুন, রসিদ জমা রাখুন, আর নিয়ম সিদ্ধান্ত না দিলে মানুষকে জিজ্ঞেস করুন।

নিজে দেখে নেওয়ার মতো প্রমাণ

আস্থা কোনো ব্যাজ নয়। এটি প্রমাণের একটি শৃঙ্খল।

প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ উত্তরের উৎস, তারিখ, যাচাইয়ের স্তর ও সীমা দেখা উচিত। সুবিধার কথা বলার আগে প্ল্যাটফর্ম ‘এখনো নিশ্চিত নয়’ বলে।

কীভাবে কাজ করে
20সরকারি উৎস
10যাচাইকৃত পথ
249দেশ

এই সংখ্যাগুলো বর্তমান গবেষণা ও ডেমো পরিবেশ বোঝায়। এখনো কোনো তথ্য মানুষ-যাচাইকৃত কর্মী নির্দেশনা হিসেবে দেখানো হচ্ছে না।

01

আপনি টাকা দেওয়ার আগেই সব খরচ দেখতে পাবেন।

02

কোন টাকা কার কাছে যাচ্ছে, তা লুকানো হবে না।

03

তালিকায় উপরে ওঠার জন্য কেউ টাকা দিতে পারবে না।

04

আপনার ব্যক্তিগত তথ্য কখনো বিক্রি হবে না।

05

এআই ব্যাখ্যা করতে পারে, কিন্তু কোনো কিছুকে “যাচাইকৃত” বানাতে পারে না।

06

যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে অভিযোগ মুছতে পারবে না।

নিজের বোঝাপড়া তৈরি করুন

জানুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন

অ্যাকাউন্ট ছাড়াই পড়তে পারবেন। প্রতিটি তথ্যের সাথে সরকারি উৎস ও সর্বশেষ যাচাইয়ের সময় দেওয়া আছে।

আস্থা দুপাশেই কাজ করে

প্রতিষ্ঠানের জন্য

বিদেশি নিয়োগকর্তা, লাইসেন্সপ্রাপ্ত এজেন্সি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একটি নিয়ন্ত্রিত রিভিউ কিউতে প্রমাণ জমা দিতে পারে; সরকারি প্রবেশাধিকার চুক্তি-নির্ভর থাকবে।

প্রমাণ জমার ব্যবস্থা চালু আছে। স্বাধীন পর্যালোচক অনুমোদন না করা পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠান, লাইসেন্স, ফি বা সুযোগ প্রকাশ হবে না; এতে কোনো অংশীদারিত্ব বোঝানো হয় না।

সরাসরি উত্তর, কোনো বিক্রির কথা নয়

সাধারণ প্রশ্ন

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর উত্তরও সরাসরি হওয়া উচিত। কোনো তথ্য অজানা হলে সেটি স্পষ্ট বলাই নিয়ম।

প্রশ্ন ও উত্তর
01 এটি কি সরকারি সেবা?

না। এটি সরকারি সেবা প্রতিস্থাপন করে না। বিএমইটি ও ওইপি-র নিজস্ব প্রক্রিয়া আলাদা এবং সেগুলোই চূড়ান্ত। আমরা সরকারি উৎস থেকে তথ্য নিয়ে বুঝিয়ে বলি।

02 আপনারা কি ভিসা পাইয়ে দিতে পারেন?

না, এবং কেউ পারে না। ভিসা, ভর্তি বা ওয়ার্ক পারমিটের সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষ নেয়। কেউ নিশ্চয়তা দিলে সেটিই প্রতারণার সবচেয়ে বড় চিহ্ন।

03 আমার তথ্য কি বিক্রি হবে?

না। ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি বা লিড হিসেবে হস্তান্তর করা হয় না। কোন প্রতিষ্ঠান কী দেখতে পাবে, তা আপনার অনুমতির উপর নির্ভর করে এবং যেকোনো সময় বাতিল করা যায়।

04 আমি প্রতারিত হলে কী করব?

যত দ্রুত সম্ভব অভিযোগ করুন এবং প্রমাণ (মেসেজ, রসিদ, কাগজ) রাখুন। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে সেটি মুছতে পারে না। জরুরি সহায়তার পাতায় পরবর্তী ধাপ দেওয়া আছে।

আপনার সবচেয়ে নিরাপদ প্রথম পদক্ষেপ

সন্দেহ হলে আগে যাচাই করুন

একটি যাচাই নম্বর বা মেসেজই যথেষ্ট। কয়েক সেকেন্ডে জানবেন কী মিলেছে, কী মেলেনি।

চ্যাট করুন